সংকটাপন্ন রোগীকে সুস্থিতি দেওয়াই আগে চিকিৎসকের প্রধান কাজ। সে হিসেবে ড.
এদগার্দো বাউজা আপাতত ‘আইসিইউ’ থেকে বের করে আনতে পেরেছেন রোগীকে। কিন্তু
বিশ্বকাপ তো আর শয্যা বিশ্রামের জায়গা নয়; যুদ্ধের ময়দান। চিলির কাছে
কোনোক্রমে পার পেয়ে গেলেও তাই প্রশ্নটা থাকছে—এই ‘কুৎসিত’ আর্জেন্টিনা আসলে
কত দূর যাবে? বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে নিজেদের মাঠে আর্জেন্টিনা চিলিকে
হারাল ১-০ গোলে। একটি মাত্র গোল, সেটিও মেসির করা পেনাল্টি থেকে। অথচ
আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ এতটাই তারকাখচিত, এই একাদশে
ডিবালা-ইকার্দি-লামেলাদের জায়গা হয় না। তবু কেন আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ এত
নিষ্ফলা? এর আপাত সহজ উত্তর হচ্ছেন সার্জিও আগুয়েরো।
ক্লাবের হয়ে ৩৪ ম্যাচে ২৫ গোল, ম্যান সিটিতে নিজের জায়গা পুনরুদ্ধার করেছেন দুর্দান্ত খেলে; সেই আগুয়েরো আর্জেন্টিনার জার্সিতে পুরো ৫৫ মিনিট মাঠে দর্শক হয়ে থাকলেন। গোলমুখে শট নেওয়া তো দূরের কথা; এই সময় আগুয়েরো মাত্র ৮টি পাস দিতে পেরেছেন, বল ধরেছেনই ১৫ বার। তাঁর কাজ ছিল হাভিয়ের মাসচেরানো ও লুকাস বিলিয়ার সঙ্গে গঞ্জালো হিগুয়েইনের সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করা। আগুয়েরো দ্রুত তা ভুলে গিয়ে নিজেকেই নাম্বার নাইন পজিশনে নিয়ে গেলেন।
একই একাদশে হিগুয়েইন-আগুয়েরো-মেসি-ডি মারিয়াকে খেলানোর যে কোনো ফল নেই, তা আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল। মাথাভারি প্রশাসনের মতো এ হচ্ছে মাথাভারি আক্রমণভাগ। কখনো কখনো মাঠে আর্জেন্টিনার ফরমেশন দাঁড়াচ্ছিল ৫-১-৪। হায়, এই আর্জেন্টিনার মিডফিল্ড বলে কিচ্ছু নেই!
আট বছর ধরে এই শূন্যতা এখনো পূরণ করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ২০০৯ সালে হুয়ান রোমান রিকেলমে চলে যাওয়ার পর থেকে একজন দুর্দান্ত প্লে মেকারের অভাব আর্জেন্টিনাকে রক্তশূন্যতায় ভোগা রোগী বানিয়ে দিয়েছে। এই আর্জেন্টিনা রক্ষণেও ‘নার্ভাস’। গোলরক্ষক সার্জিও রোমেরো বেশ ভালো শট স্টপার। কিন্তু হাওয়ায় বল গেলে তাঁরও পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যায়। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডেরও প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক তিনি নন।
রক্ষণ, মাঝমাঠ, আক্রমণভাগ—সবখানেই সমস্যা। যার চাপ প্রভাবিত করে অধিনায়ক মেসিকে। বিশেষ করে মাঝমাঠ। ফলে মেসি বার্সেলোনার মতো স্বাধীনভাবে খেলার সুযোগও হারিয়েছেন। অনেক সময়ই মেসিকে অনেক নিচে নেমে আসতে হয়; তখনো আশপাশ থেকে তেমন সাহায্য পান না। নিচ থেকে যে থ্রু বলগুলো তিনি বাড়িয়ে দেন, সেগুলো কাজে লাগাতে পারেন না হিগুয়েইন। বিভ্রান্ত মেসি কখনো কখনো মরিয়া চেষ্টা করেন একাই বল ড্রিবল করে ওপরে টেনে আনার। কিন্তু এভাবে কত দিন?
ক্লাবের হয়ে ৩৪ ম্যাচে ২৫ গোল, ম্যান সিটিতে নিজের জায়গা পুনরুদ্ধার করেছেন দুর্দান্ত খেলে; সেই আগুয়েরো আর্জেন্টিনার জার্সিতে পুরো ৫৫ মিনিট মাঠে দর্শক হয়ে থাকলেন। গোলমুখে শট নেওয়া তো দূরের কথা; এই সময় আগুয়েরো মাত্র ৮টি পাস দিতে পেরেছেন, বল ধরেছেনই ১৫ বার। তাঁর কাজ ছিল হাভিয়ের মাসচেরানো ও লুকাস বিলিয়ার সঙ্গে গঞ্জালো হিগুয়েইনের সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করা। আগুয়েরো দ্রুত তা ভুলে গিয়ে নিজেকেই নাম্বার নাইন পজিশনে নিয়ে গেলেন।
একই একাদশে হিগুয়েইন-আগুয়েরো-মেসি-ডি মারিয়াকে খেলানোর যে কোনো ফল নেই, তা আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল। মাথাভারি প্রশাসনের মতো এ হচ্ছে মাথাভারি আক্রমণভাগ। কখনো কখনো মাঠে আর্জেন্টিনার ফরমেশন দাঁড়াচ্ছিল ৫-১-৪। হায়, এই আর্জেন্টিনার মিডফিল্ড বলে কিচ্ছু নেই!
আট বছর ধরে এই শূন্যতা এখনো পূরণ করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ২০০৯ সালে হুয়ান রোমান রিকেলমে চলে যাওয়ার পর থেকে একজন দুর্দান্ত প্লে মেকারের অভাব আর্জেন্টিনাকে রক্তশূন্যতায় ভোগা রোগী বানিয়ে দিয়েছে। এই আর্জেন্টিনা রক্ষণেও ‘নার্ভাস’। গোলরক্ষক সার্জিও রোমেরো বেশ ভালো শট স্টপার। কিন্তু হাওয়ায় বল গেলে তাঁরও পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যায়। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডেরও প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক তিনি নন।
রক্ষণ, মাঝমাঠ, আক্রমণভাগ—সবখানেই সমস্যা। যার চাপ প্রভাবিত করে অধিনায়ক মেসিকে। বিশেষ করে মাঝমাঠ। ফলে মেসি বার্সেলোনার মতো স্বাধীনভাবে খেলার সুযোগও হারিয়েছেন। অনেক সময়ই মেসিকে অনেক নিচে নেমে আসতে হয়; তখনো আশপাশ থেকে তেমন সাহায্য পান না। নিচ থেকে যে থ্রু বলগুলো তিনি বাড়িয়ে দেন, সেগুলো কাজে লাগাতে পারেন না হিগুয়েইন। বিভ্রান্ত মেসি কখনো কখনো মরিয়া চেষ্টা করেন একাই বল ড্রিবল করে ওপরে টেনে আনার। কিন্তু এভাবে কত দিন?

0 comments:
Post a Comment