ইমার্জিং টিমস এশিয়া কাপের ফাইনালে নেই বাংলাদেশ। জহুর আহমেদ চৌধুরী
স্টেডিয়ামে আজ শিরোপার লড়াইয়ে নেমেছে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-২৩
দল। মুমিনুল-নাসিররা সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিলেও ধারাভাষ্য কক্ষে কিন্তু
বাংলাদেশের সরব উপস্থিতি। আতহার আলী খান তো আছেনই। সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল
বাশারকেও ধারাভাষ্য দিতে দেখা যাচ্ছে। তবে চমকজাগানিয়া কণ্ঠটা হচ্ছে
শাহরিয়ার নাফীসের।
সাধারণত খেলা ছেড়ে দেওয়ার পরই অনেকে বেছে নেন ধারাভাষ্যকর হওয়ার পথ। কিন্তু ২৪ টেস্ট, ৭৫ ওয়ানডে ও ১ টি-টোয়েন্টি খেলা শাহরিয়ার এখনো ব্যাট-প্যাড তুলে রাখেননি। বরং ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো খেলে মাঝে মাঝেই জানান দিচ্ছেন ফুরিয়ে যাননি তিনি। শাহরিয়ার জানালেন, এই মুহূর্তে খেলা না থাকার কারণেই হঠাৎ মাইক্রোফোন তুলে নেওয়া, ‘পরশু রাবিদ ভাই (বিসিবির মিডিয়া ম্যানেজার) ফোন করেছিলেন। প্রোডাকশন ম্যানেজার তানভীর ভাইও বললেন মাত্র একটা ম্যাচ, তাই রাজি হয়ে গেলাম। খেলার সময় মাঠ-ড্রেসিং রুম—এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে হয়। এটা ভিন্ন অভিজ্ঞতা। সব মিলিয়ে ভালো লাগছে।’
ধারাভাষ্য দেওয়ার অভিজ্ঞতা অবশ্য শাহরিয়ারের এটা প্রথম নয়। ২০০৮ সালে ভারতের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আইসিএল খেলতে গিয়ে অতিথি হিসেবে একবার ধারাভাষ্যকক্ষে বসার সুযোগ হয়েছিল। তবে আন্তর্জাতিক মেজাজের কোনো ম্যাচে এটাই প্রথম। ২২ গজে কখনো কখনো স্নায়ুচাপ ভীষণ জেঁকে বসলেও মাইক্রোফোনে খুব একটা সমস্যা হচ্ছে না শাহরিয়ারের। বললেন, ‘আজ শুরুতেই স্নায়ুচাপটা ওভাবে ছিল না। মাঠ পরিচিত। আশপাশে যাঁরা ছিলেন তাঁরাও অপরিচিত নন। আতহার ভাই আছেন, সুমন ভাইও (হাবিবুল) ধারাভাষ্য দিচ্ছেন। আমাকে কী করতে হবে সেটা আগেই বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। সমস্যা হচ্ছে না। আর যারা আগ থেকে ধারাভাষ্য দেন তারা অনেক সহায়তা করছেন।’
টিভি ধারাভাষ্য ভীষণ মনোযোগ দিয়েই শোনেন শাহরিয়ার। তাঁর প্রিয় ধারাভাষ্যকারের তালিকাটা একেবারে ছোট নয়—প্রয়াত রিচি বেনো, টনি কোজিয়ার আছেন। আর বর্তমান সময়ের হার্শা ভোগলে আর মার্ক নিকোলাসের ধারাবিবরণী ভালো লাগে তাঁর।
খেলা ছাড়ার পর কি মাইক্রোফোন তুলে নেওয়ার ইচ্ছে শাহরিয়ারের? ৩১ বছর বয়সী বাঁহাতি ওপেনার বললেন, ‘খেলা ছাড়ার পর কোচিংয়ের সঙ্গে থাকার ভাবনা আছে। বিকল্প হিসেবে ধারাভাষ্য খারাপ হবে না। বাংলাদেশ এখন অনেক ভালো খেলছে। আজকের এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে কাজে লাগতে পারে।’
জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে ধারাভাষ্যটা বেশ জমে উঠলেও শাহরিয়ারের চোখ খুঁজে ফিরছে প্রিয় দলকে। কিন্তু তারা শিরোপা লড়াইয়ে নামার আগেই বিদায় নিয়েছে টুর্নামেন্ট থেকে।
সাধারণত খেলা ছেড়ে দেওয়ার পরই অনেকে বেছে নেন ধারাভাষ্যকর হওয়ার পথ। কিন্তু ২৪ টেস্ট, ৭৫ ওয়ানডে ও ১ টি-টোয়েন্টি খেলা শাহরিয়ার এখনো ব্যাট-প্যাড তুলে রাখেননি। বরং ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো খেলে মাঝে মাঝেই জানান দিচ্ছেন ফুরিয়ে যাননি তিনি। শাহরিয়ার জানালেন, এই মুহূর্তে খেলা না থাকার কারণেই হঠাৎ মাইক্রোফোন তুলে নেওয়া, ‘পরশু রাবিদ ভাই (বিসিবির মিডিয়া ম্যানেজার) ফোন করেছিলেন। প্রোডাকশন ম্যানেজার তানভীর ভাইও বললেন মাত্র একটা ম্যাচ, তাই রাজি হয়ে গেলাম। খেলার সময় মাঠ-ড্রেসিং রুম—এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে হয়। এটা ভিন্ন অভিজ্ঞতা। সব মিলিয়ে ভালো লাগছে।’
ধারাভাষ্য দেওয়ার অভিজ্ঞতা অবশ্য শাহরিয়ারের এটা প্রথম নয়। ২০০৮ সালে ভারতের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আইসিএল খেলতে গিয়ে অতিথি হিসেবে একবার ধারাভাষ্যকক্ষে বসার সুযোগ হয়েছিল। তবে আন্তর্জাতিক মেজাজের কোনো ম্যাচে এটাই প্রথম। ২২ গজে কখনো কখনো স্নায়ুচাপ ভীষণ জেঁকে বসলেও মাইক্রোফোনে খুব একটা সমস্যা হচ্ছে না শাহরিয়ারের। বললেন, ‘আজ শুরুতেই স্নায়ুচাপটা ওভাবে ছিল না। মাঠ পরিচিত। আশপাশে যাঁরা ছিলেন তাঁরাও অপরিচিত নন। আতহার ভাই আছেন, সুমন ভাইও (হাবিবুল) ধারাভাষ্য দিচ্ছেন। আমাকে কী করতে হবে সেটা আগেই বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। সমস্যা হচ্ছে না। আর যারা আগ থেকে ধারাভাষ্য দেন তারা অনেক সহায়তা করছেন।’
টিভি ধারাভাষ্য ভীষণ মনোযোগ দিয়েই শোনেন শাহরিয়ার। তাঁর প্রিয় ধারাভাষ্যকারের তালিকাটা একেবারে ছোট নয়—প্রয়াত রিচি বেনো, টনি কোজিয়ার আছেন। আর বর্তমান সময়ের হার্শা ভোগলে আর মার্ক নিকোলাসের ধারাবিবরণী ভালো লাগে তাঁর।
খেলা ছাড়ার পর কি মাইক্রোফোন তুলে নেওয়ার ইচ্ছে শাহরিয়ারের? ৩১ বছর বয়সী বাঁহাতি ওপেনার বললেন, ‘খেলা ছাড়ার পর কোচিংয়ের সঙ্গে থাকার ভাবনা আছে। বিকল্প হিসেবে ধারাভাষ্য খারাপ হবে না। বাংলাদেশ এখন অনেক ভালো খেলছে। আজকের এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে কাজে লাগতে পারে।’
জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে ধারাভাষ্যটা বেশ জমে উঠলেও শাহরিয়ারের চোখ খুঁজে ফিরছে প্রিয় দলকে। কিন্তু তারা শিরোপা লড়াইয়ে নামার আগেই বিদায় নিয়েছে টুর্নামেন্ট থেকে।

0 comments:
Post a Comment