ঋণ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছিলেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাসের ছালাম মৃধা (৬৫)। বাম্পার ফলনের আশায় ছিলেন তিনি। তবে খেতে বৃষ্টির পানি জমে সে আশায় গুড়েবালি। তাঁর আট একর জমির তরমুজ নষ্ট হওয়ার পথে। ওই তরমুজখেত দেখে গত সোমবার ছালাম মৃধা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁর মৃত্যু হয়।
কৃষক ছালাম মৃধার ছেলে আয়ুব আলী বলেন, এই মৌসুমে তাঁরা আট একর জমিতে তরমুজের আবাদ করেছেন। এতে খরচ হয়েছে প্রায় ১২ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৮ লাখ টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে। ৮ মার্চ থেকে পাঁচ দিন টানা বৃষ্টিতে খেতে পানি জমে গেছে। ফলে তরমুজে পচন ধরেছে। সোমবার বিকেলে তাঁর বাবা তরমুজখেত দেখতে গিয়েছিলেন। নষ্ট তরমুজ দেখে সেখানেই বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন। অন্য লোকজন তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। আধা ঘণ্টার পর তিনি মারা যান।
চরবিশ্বাস ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান তোফাজ্জেল হোসাইন বলেন, ঋণ নিয়ে অনেক কষ্ট করে ছালাম মৃধা তরমুজ চাষ করেছিলেন। তরমুজ নষ্ট হওয়ার শোকেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মারা যান।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পটুয়াখালী কার্যালয় সূত্র জানায়, ৮ থেকে ১২ মার্চ পাঁচ দিনের অতিবৃষ্টিতে জেলায় রবি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে তরমুজখেতের। জেলায় এবার ১৮ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৯ হাজার ২৫ হেক্টর। অর্থাৎ অর্ধেক খেতের তরমুজই নষ্ট হয়ে গেছে। প্রাথমিক হিসাবে ক্ষতির পরিমাণ ২৫৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা।
কৃষক ছালাম মৃধার ছেলে আয়ুব আলী বলেন, এই মৌসুমে তাঁরা আট একর জমিতে তরমুজের আবাদ করেছেন। এতে খরচ হয়েছে প্রায় ১২ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৮ লাখ টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে। ৮ মার্চ থেকে পাঁচ দিন টানা বৃষ্টিতে খেতে পানি জমে গেছে। ফলে তরমুজে পচন ধরেছে। সোমবার বিকেলে তাঁর বাবা তরমুজখেত দেখতে গিয়েছিলেন। নষ্ট তরমুজ দেখে সেখানেই বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন। অন্য লোকজন তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। আধা ঘণ্টার পর তিনি মারা যান।চরবিশ্বাস ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান তোফাজ্জেল হোসাইন বলেন, ঋণ নিয়ে অনেক কষ্ট করে ছালাম মৃধা তরমুজ চাষ করেছিলেন। তরমুজ নষ্ট হওয়ার শোকেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মারা যান।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পটুয়াখালী কার্যালয় সূত্র জানায়, ৮ থেকে ১২ মার্চ পাঁচ দিনের অতিবৃষ্টিতে জেলায় রবি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে তরমুজখেতের। জেলায় এবার ১৮ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৯ হাজার ২৫ হেক্টর। অর্থাৎ অর্ধেক খেতের তরমুজই নষ্ট হয়ে গেছে। প্রাথমিক হিসাবে ক্ষতির পরিমাণ ২৫৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

0 comments:
Post a Comment