অনেকেই ডিম পছন্দ করেন। আর এ জন্য একসঙ্গে
৪ থেকে ৫ টি ডিমও খেয়ে থাকেন কেউ কেউ। অনেকে আবার কোলস্টেরলের ভয়ে ডিম
খান না। ধারনা ডিম হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। কেউ কুসুম ফেলে, শুধু সাদা অংশ
খান। আসলে ডিম খাওয়ার সঠিক নিয়ম কি?
প্রথম কথা হচ্ছে, ডিম হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় না। বরং হৃদযন্ত্র সুস্থ
রাখে। ডিমের কুসুম রক্তে ভাল কোলস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। ফলে রক্তচাপ কমিয়ে
হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। রক্তে খারাপ কোলস্টেরল বাড়ার কারণ
শরীরচর্চার অভাব, জাঙ্ক ফুড খাওয়া, ধূমপান ও মদ্যপান। ডিমের কুসুম প্রথম
শ্রেণির প্রোটিন। যদি কুসুম ছাড়া শুধু ডিমের সাদা অংশ খান তাহলে অ্যামাইনো
অ্যাসিড থেকে বঞ্চিত হবেন।
একটি ডিমে ৬ গ্রাম
প্রোটিন থাকে। ডিমের কুসুম বাদ দিলে প্রোটিনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ গ্রাম।
প্রোটিন ছাড়াও কোলিন, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক, ভিটামিন এ, বি, ই, ডি ও কে থাকায়
ডিমের পুষ্টিগুণের প্রায় পুরোটাই থাকে কুসুমে। ডায়েটারি কোলিন ও ভিটামিন
ডি-র সবচেয়ে উৎকৃষ্ট উৎস ডিমের কুসুম। যারা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন না তাদের
জন্য দিনে ২ টি ডিমই যথেষ্ট। তবে যারা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন তারা দিনে ৪
থেকে ৫ টি ডিমও খেতে পারেন।

0 comments:
Post a Comment