পৃথিবীর বয়স কম হয়নি! তবু এখনও তার বুকে রয়ে গিয়েছে অনেক অনাবিষ্কৃত
রহস্যের খোঁজ। পৃথিবীর সেই রহস্য ভেদ করতে মানুষের জুড়ি মেলা ভার।
এমনকী পৃথিবী ছেড়ে সে পাড়ি দিয়েছে মহাবিশ্বের দিকেও। তবু আজও
পৃথিবী তাকে থেকেই থেকেই চমকে দেয়। ঠিক যেমন চমকালেন পশ্চিম ইন্দোনেশিয়ার
এক দ্বীপের বাসিন্দারা।
সে দ্বীপের পাশে ভেসে উঠতে দেখা যায় এক অতিকায় জন্তুর মৃতদেহ। লাল পানি দেখেই সন্দেহ হয়েছিল অধিবাসীদের। খোঁজ করতে গিয়েই এই অদ্ভুদতর্শন প্রাণীটির দেখা মেলে। এ প্রাণীকে সম্ভবত এর আগে দেখা যায়নি পৃথিবীতে। কোথায় ছিল, কীভাবে এসেছে তা জানারও কোনও উপায় নেই। কেননা জন্তুটিকে যখন মানুষের চোখে পড়ে তখন সেটি মৃত। মনে করা হচ্ছে, চোখে পড়ার দিন তিনেক আগেই মৃত্যু হয়েছে প্রাণীটির। কিন্তু এমন দৈত্যাকার জন্তু দেখে চক্ষু চড়কগাছ বাসিন্দাদের। সামুদ্রিক প্রাণিটি লম্বায় প্রায় ৫০ ফুট। কোনওভাবেই অন্য কোনও জন্তুর সঙ্গে সেটির মিল পাওয়া যায় না। প্রাণীটিকে আবিষ্কার করামাত্র খবর দেওয়া হয় বিশেষজ্ঞদের। প্রথমে বাসিন্দারা ধারণ করেছিলেন, এটি বোধহয় কোনও অতিকায় স্কুইড। যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে এটি তিমিরই প্রজাতি হতে পারে। দৈত্যাকার এই প্রজাতির তিমি এর আগে দেখা যায়নি। ঠিক কোন প্রজাতির প্রাণী তা জানার জন্য পরীক্ষা চলছে। তবে পৃথিবীতে যে আজও বহু বিস্ময় অবশিষ্ট আছে, এই মৃত জন্তুটিই যেন মানুষকে তা মনে করিয়ে দিল।
সে দ্বীপের পাশে ভেসে উঠতে দেখা যায় এক অতিকায় জন্তুর মৃতদেহ। লাল পানি দেখেই সন্দেহ হয়েছিল অধিবাসীদের। খোঁজ করতে গিয়েই এই অদ্ভুদতর্শন প্রাণীটির দেখা মেলে। এ প্রাণীকে সম্ভবত এর আগে দেখা যায়নি পৃথিবীতে। কোথায় ছিল, কীভাবে এসেছে তা জানারও কোনও উপায় নেই। কেননা জন্তুটিকে যখন মানুষের চোখে পড়ে তখন সেটি মৃত। মনে করা হচ্ছে, চোখে পড়ার দিন তিনেক আগেই মৃত্যু হয়েছে প্রাণীটির। কিন্তু এমন দৈত্যাকার জন্তু দেখে চক্ষু চড়কগাছ বাসিন্দাদের। সামুদ্রিক প্রাণিটি লম্বায় প্রায় ৫০ ফুট। কোনওভাবেই অন্য কোনও জন্তুর সঙ্গে সেটির মিল পাওয়া যায় না। প্রাণীটিকে আবিষ্কার করামাত্র খবর দেওয়া হয় বিশেষজ্ঞদের। প্রথমে বাসিন্দারা ধারণ করেছিলেন, এটি বোধহয় কোনও অতিকায় স্কুইড। যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে এটি তিমিরই প্রজাতি হতে পারে। দৈত্যাকার এই প্রজাতির তিমি এর আগে দেখা যায়নি। ঠিক কোন প্রজাতির প্রাণী তা জানার জন্য পরীক্ষা চলছে। তবে পৃথিবীতে যে আজও বহু বিস্ময় অবশিষ্ট আছে, এই মৃত জন্তুটিই যেন মানুষকে তা মনে করিয়ে দিল।

0 comments:
Post a Comment