রিয়াল বার্সার বিশাল জয়ে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে লা লিগা !!

বার্সেলোনার বিপক্ষে মহারণের চার দিনের মাথায় দেপোর্তিভো লা করুনিয়ার বিপক্ষে রিয়ালের একাদশে নয়টি পরিবর্তন আনলেন কোচ জিনেদিন জিদান। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, করিম বেনজেমা, গ্যারেথ বেল—ছিলেন না কেউই। তবে মহা এই তারকাদের অভাবটাও টের পায়নি রিয়াল মাদ্রিদ। ‘ব্লাঙ্কো’দের ডাগ আউটের শক্তি যে মোটেই কম নয়, তার একটা নমুনাই যেন পাওয়া গেল। হামেস রদ্রিগেজের জোড়া গোল আর আলভারো মোরাতা, লুকাস ভাসকেস, ইসকো ও কাসেমিরোর গোলে ৬-২ ব্যবধানে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে তারা।
রিয়ালের গোল-উৎসবের শুরুটা করেন আলভারো মোরাতা, ৫৩ সেকেন্ডের মাথায়। আক্রমণটা শুরু হয় দানিলোর মাধ্যমে। দানিলোর পাস ইসকো ধরে তা বাড়ান মোরাতাকে। বক্সের ডান দিক দিয়ে মোরাতা বলটি জালে ঠেলে দেন। এর পরের ৩৫ মিনিট দেপোর্তিভোর ওপর আক্রমণের ঝড় বইয়ে দেয় রিয়াল। এই সময় ইসকো ও এসেনসিওর দুটি শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। ১৪ মিনিটে অবশ্য গোল করে দলকে ২-০ গোলে এগিয়ে দেন হামেস রদ্রিগেজ। ১৭ মিনিটে মোরাতা একবার বল জালে পাঠিয়েছিলেন। তবে রেফারি আগেই অফ সাইডের বাঁশি বাজান। ৩২ মিনিটে আরও একটি সুযোগ নষ্ট করেন তিনি।
৩৫ মিনিটে খেলার ধারার বিপরীতে গোল করে ব্যবধান কমান দেপোর্তিভোর ফ্লোরিন আনদোনে। রাফায়েল ভারানে ও মার্সেলোর ভুলের সুযোগটাই নেন আনদোনে। প্রথমার্ধের খেলা শেষ হওয়ার কিছু আগে ভাসকেস রিয়ালকে এগিয়ে দেন ৩-১ গোলে।
দ্বিতীয়ার্ধে রিয়ালের আধিপত্যের কোনো কমতি ছিল না। তবে চতুর্থ গোলটি পেতে তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে ম্যাচের ৬৬ মিনিট পর্যন্ত। মোরাতার পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রদ্রিগেজ। ৭৭ মিনিটে ইসকো দলকে এগিয়ে দেন ৫-১ গোলে। ভাসকেসের পাস থেকে গোলটি করেন তিনি। ৮৪ মিনিটে দোপোর্তিভোর দ্বিতীয় গোলটি করেন হোসেলু। ৮৭ মিনিটে কাসেমিরো দুর্দান্ত এক শটে স্কোর লাইন ৬-২ করেন।
ম্যাচ শেষে ইসকোর প্রশংসা করেছেন কোচ জিদান, ‘সে মাঠে অনেক কিছুই করে, যেগুলো অন্যরা করতে পারে না। সমর্থকেরা নিশ্চয়ই তাঁর খেলায় খুশি। আমি ইসকোর খেলায় খুব খুশি। যখনই সে খেলার সুযোগ পায়, তার দায়িত্বটা সব দিয়ে পালন করার চেষ্টা করে।

ওসাসুনাকে ৭-১ গোলে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে যাওয়া বার্সেলোনার সঙ্গে রিয়ালের পয়েন্ট এখন সমান—৭৮। যদিও রিয়াল একটি ম্যাচ কম খেলেছে। রিয়ালের বেঞ্চের শক্তি কোচ জিদানের জন্য অনেকটা ‘মধুর সমস্যা’, ‘এটা একজন কোচের জন্য কঠিনতম কাজ। যখন রিজার্ভ খেলোয়াড়েরা খুব ভালো খেলে দলকে জয় এনে দেওয়ার পরও নিশ্চিত থাকে যে পরের ম্যাচটিতে সে প্রথম একাদশে থাকছে না, এটা দুঃখজনক। আমার হাতে এক দল দুর্দান্ত ফুটবলার আছে। যারা মৌসুমের শেষ পর্যন্ত যেকোনো সময় যেকোনো চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত।’
Share on Google Plus

About Bangla Movie Desk

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment