লিওনেল মেসি ছিলেন না। তাতে গ্রানাডার বিপক্ষে কোনো সমস্যাই অনুভব করেনি
বার্সেলোনা। লুইস সুয়ারেজ একটি গোল করে ও দুটি করিয়ে দারুণ ভূমিকা রাখলেন।
নেইমারের বার্সার জার্সিতে করলেন ১০০তম গোল। আর তাতেই গ্রানাডাকে ৪-১ গোলে
হারাল বার্সেলোনা। বাকি গোল দুটি পাকো আলকাসার ও ইভান রাকিতিচের।
বার্সেলোনার প্রথম গোলটি সুয়ারেজের, ম্যাচের ৪৪
মিনিটে। ৬৪ ও ৮৩ মিনিটে আলকাসার আর রাকিতিচের গোল দুটিও এসেছে উরুগুইয়ান
ফরোয়ার্ডের সহায়তায়। ম্যাচের একেবারে শেষ সময়ে নেইমার গোল করে দলকে এনে দেন
বড় জয়। বড় জয় পেলেও গ্রানাডা কিন্তু একটা দীর্ঘ সময় ধরে বার্সাকে
ভুগিয়েছে। প্রথমার্ধের শেষ প্রান্তে সুয়ারেজ এগিয়ে দিলেও নিজেদের মাঠের
শক্তিতেই কিনা, দ্বিতীয়ার্ধের ৫ মিনিটের মাথায় জেরোমি বোগার গোলে সমতায়
ফেরে গ্রানাডা। সত্যি বলতে কি, ৬৪ মিনিটে ২-১ স্কোরলাইন বানিয়েও স্বস্তিতে
ছিল না গত মাসেই লা করুনিয়ার কাছে অপ্রত্যাশিতভাবে হেরে যাওয়া বার্সা। সেই
স্বস্তি তারা পায় রাকিতিচের গোলে। নেইমারের গোলটি ব্যক্তিগত উপলক্ষ হয়েই
আসে তাই।১৭৭টি ম্যাচ খেলে বার্সেলোনার হয়ে গোলের সেঞ্চুরি করলেন
নেইমার। লিওনেল মেসি বার্সার হয়ে এখনো পর্যন্ত গোল করেছেন ৪৯৪টি। তবে মজার
ব্যাপার হচ্ছে প্রথম ১০০ গোল করতে মেসির চেয়ে ১১টি ম্যাচ কম খেলেছেন
নেইমার। রিভালদো আর এভারিস্তোর পর তৃতীয় ব্রাজিলীয় খেলোয়াড় হিসেবে
বার্সেলোনার জার্সিতে ১০০ গোল পেলেন, এটিও নেইমারকে তুলে দেবে ইতিহাসের
পাতায়। রিভালদোর গোলসংখ্যা ১৩০, এভারিস্তোর ১০৫।
ম্যাচ শেষে বার্সা টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেইমার নিজের গোলের সেঞ্চুরিতে প্রকাশ করেছেন উচ্ছ্বাস, ‘১০০ গোল করতে পেরে আমি দারুণ খুশি। শততম গোলের সাফল্য সব সতীর্থকে উৎসর্গ করতে চাই। ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়েও আমি আজ দলের জয়ে আনন্দিত। এটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ বার্সার হয়ে ১০০ গোল করলেও প্রথম গোলটি কোনো দিন ভোলেননি ব্রাজিলের এই তারকা, ‘বার্সার জার্সিতে আমার করা সেরা গোল হচ্ছে প্রথমটি—সুপার কাপের সেই গোল। তবে আমি মনে করি প্রতিটি গোলই ছিল গুরুত্বপূর্ণ।’
কোচ লুইস এনরিকে নেইমারকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, ‘বার্সার জার্সিতে নেইমার আরও ৯০০ গোল করুক।’ এক ক্লাবের হয়ে ১০০০ গোল? কেবল নেইমারের পক্ষেই বোধ হয় এই লক্ষ্যের পিছে ছোটা সম্ভব!
বার্সেলোনার প্রথম গোলটি সুয়ারেজের, ম্যাচের ৪৪
মিনিটে। ৬৪ ও ৮৩ মিনিটে আলকাসার আর রাকিতিচের গোল দুটিও এসেছে উরুগুইয়ান
ফরোয়ার্ডের সহায়তায়। ম্যাচের একেবারে শেষ সময়ে নেইমার গোল করে দলকে এনে দেন
বড় জয়। বড় জয় পেলেও গ্রানাডা কিন্তু একটা দীর্ঘ সময় ধরে বার্সাকে
ভুগিয়েছে। প্রথমার্ধের শেষ প্রান্তে সুয়ারেজ এগিয়ে দিলেও নিজেদের মাঠের
শক্তিতেই কিনা, দ্বিতীয়ার্ধের ৫ মিনিটের মাথায় জেরোমি বোগার গোলে সমতায়
ফেরে গ্রানাডা। সত্যি বলতে কি, ৬৪ মিনিটে ২-১ স্কোরলাইন বানিয়েও স্বস্তিতে
ছিল না গত মাসেই লা করুনিয়ার কাছে অপ্রত্যাশিতভাবে হেরে যাওয়া বার্সা। সেই
স্বস্তি তারা পায় রাকিতিচের গোলে। নেইমারের গোলটি ব্যক্তিগত উপলক্ষ হয়েই
আসে তাই।১৭৭টি ম্যাচ খেলে বার্সেলোনার হয়ে গোলের সেঞ্চুরি করলেন
নেইমার। লিওনেল মেসি বার্সার হয়ে এখনো পর্যন্ত গোল করেছেন ৪৯৪টি। তবে মজার
ব্যাপার হচ্ছে প্রথম ১০০ গোল করতে মেসির চেয়ে ১১টি ম্যাচ কম খেলেছেন
নেইমার। রিভালদো আর এভারিস্তোর পর তৃতীয় ব্রাজিলীয় খেলোয়াড় হিসেবে
বার্সেলোনার জার্সিতে ১০০ গোল পেলেন, এটিও নেইমারকে তুলে দেবে ইতিহাসের
পাতায়। রিভালদোর গোলসংখ্যা ১৩০, এভারিস্তোর ১০৫। ম্যাচ শেষে বার্সা টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেইমার নিজের গোলের সেঞ্চুরিতে প্রকাশ করেছেন উচ্ছ্বাস, ‘১০০ গোল করতে পেরে আমি দারুণ খুশি। শততম গোলের সাফল্য সব সতীর্থকে উৎসর্গ করতে চাই। ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়েও আমি আজ দলের জয়ে আনন্দিত। এটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ বার্সার হয়ে ১০০ গোল করলেও প্রথম গোলটি কোনো দিন ভোলেননি ব্রাজিলের এই তারকা, ‘বার্সার জার্সিতে আমার করা সেরা গোল হচ্ছে প্রথমটি—সুপার কাপের সেই গোল। তবে আমি মনে করি প্রতিটি গোলই ছিল গুরুত্বপূর্ণ।’
কোচ লুইস এনরিকে নেইমারকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, ‘বার্সার জার্সিতে নেইমার আরও ৯০০ গোল করুক।’ এক ক্লাবের হয়ে ১০০০ গোল? কেবল নেইমারের পক্ষেই বোধ হয় এই লক্ষ্যের পিছে ছোটা সম্ভব!
0 comments:
Post a Comment