কর্ণফুলী নদীতে ছাত্র নেতার লাশ


ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম ওরফে নুরুর লাশ রাউজানের বাগোয়ান ইউনিয়নের কর্ণফুলী নদীর তীর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, গতকাল বুধবার রাত ১২টায় সাদাপোশাকের কয়েকজন লোক তাঁকে নগরের চন্দনপুরা এলাকার বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। আর বিএনপির এক নেতার দাবি, এক এসআই তাঁকে তুলে নিয়ে গেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, আজ বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজন কর্ণফুলী নদীর পাড়ে নুরুর লাশ দেখতে পায়। এরপর পরিবারের সদস্য ও দলীয় নেতাদের কাছে খবর পৌঁছানো হয়। স্থানীয় রাজনীতিতে নুরু বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী।
আজ বেলা দুইটার দিকে বাগোয়ান ইউনিয়নের কুয়েপাড়া ঠেলারঘাটে কর্ণফুলী নদীর তীরের ঘটনাস্থলে গিয়ে নুরুর লাশ শনাক্ত করেন তাঁর স্ত্রী, বোন ও ভগ্নিপতি।
ঘটনাস্থল থেকে নুরুর ভগ্নিপতি জাফর আহমেদ আজ বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া দুইটায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘লাশটি নুরুর। তাঁকে বুধবার রাত ১২টায় নগরের চন্দনপুরার বাসা থেকে কয়েকজন লোক তুলে নিয়ে যায়। এদের মধ্যে একজন মুখোশধারী ছিল।’
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেফায়েত উল্লাহ আজ দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, ‘কর্ণফুলী নদীর তীরে একটি লাশ পড়ে আছে। আমি জেলা পুলিশের একটি কনফারেন্সে আছি। লাশ উদ্ধারের আগে নিহত ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে আমি কিছুই বলতে পারব না।’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরীর অভিযোগ, রাউজান থানার নোয়াপাড়া পুলিশফাঁড়ির এসআই জাভেদ (শেখ জাভেদ) ছাত্রদল নেতা নুরুকে চন্দনপুরা এলাকার বাসা থেকে তুলে নিয়ে যান। এরপর হত্যা করে লাশ বাগোয়ান ইউনিয়নের কুয়েপাড়া ঠেলারঘাটে কর্ণফুলী নদীর তীরের পাশে ফেলে দেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে এসআই শেখ জাভেদ বলেন, ‘বুধবার দিবাগত রাত দুইটা পর্যন্ত আমি রাউজানের একটি মাদ্রাসা এলাকায় জঙ্গিবিরোধী অভিযানে ছিলাম। নুরু নামের কাউকে শহর থেকে আটক করার বিষয়টি আমার জানা নেই। আজ সকাল থেকে আমি পুলিশের একটি সভায় ছিলাম। দুপুরে কর্ণফুলী নদীর তীরে একটি লাশ পড়ে থাকার খবর পাই। সেটি নুরুর কি না যাচাই না করে বলতে পারছি না।’
Share on Google Plus

About Bangla Movie Desk

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment