ইমার্জিং এশিয়া কাপে স্বাগতিক বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক তারা
দুজন। একজন মুমিনুল হক, অন্যজন নাসির হোসেন। চতুর্থ ও শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে
দুই ব্যাটসম্যানের হাফসেঞ্চুরিতে জিতলো লাল দল। কক্সবাজারের শেখ কামাল
আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সবুজ দলের দেয়া ২৯৫ রানের বড় টার্গেট ১০ বল ও ৫
উইকেট হাতে রেখে টপকে যায় তারা।
বড় রান তাড়ায় দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন লাল দলের ওপেনার সাইফ হাসান ও আজমীর আহমেদ। ওপেনিং জুটি থেকে ১৪.৩ ওভারে আসে ৯৩ রান। সাইফ হাসান ৪৮ ও আজমীর ৩৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন। রান আউটের শিকার হন সাইফ। পরে মুমিনুল হক ৬৯ ও নাসির হোসেন ৬৩ রান করে যোগ করেন। জয়ের পথে থাকা লাল দলের হয়ে মোহাম্মদ মিঠুন ৪২ রানের ইনিংস খেললে সমীকরণ আরও সহজ হয়। নাজমুল হোসেন শান্ত ২৩ ও জাবেদ আহমেদ ৪ রানে অপরাজিত থেকে ৫ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন।
সবুজ দলের অধিনায়ক তানবীর হায়দার নেন তিন উইকেট। একটি উইকেট নিয়েছেন সালমান হোসেন।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে মেহেদি মারুফ, সাদমান ইসলাম ও জাকির হাসানের হাফ সেঞ্চুরিতে ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৯৪ রান তোলে সবুজ দল। মেহেদি মারুফ মাত্র ৭৬ বলে ১০টি চার ও তিন ছয়ে করেন ৯০ রান। বুধবার তৃতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে ১৩৭ রানের ইনিংস খেলা সাদমান করেন ৬৭ রান। আর জাকিরের ব্যাট থেকে আসে ৫৩।
আগের ম্যাচে ৩ উইকেট নেয়া আবু হায়দার রনি এদিনও নিয়েছেন ৩ উইকেট। সমান ৩টি উইকেট নিয়েছেন নাসুম আহমেদ। ইয়াসির আরাফাত মিশু ও শফিউল ইসলাম নেন একটি করে উইকেট।
ইমার্জিং কাপের প্রস্তুতি হিসেবে ফতুল্লায় দুটি ও কক্সবাজারে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেললো স্বাগতিকরা। এবার মূল আসরে চোখ থাকবে ক্রিকেটারদের। আট দেশের মূল আসর শুরু হবে ২৭ মার্চ। এশিয়ার অন্য সাতটি দেশ ২৬ মার্চ কক্সবাজার পৌঁছাবে। টুর্নামেন্টের প্রথম দিনেই চার ভেন্যুতে গড়াবে চারটি ম্যাচ। কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ হংকং। ২৮ মার্চ নেপাল ও ৩০ মার্চ পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে স্বাগতিকরা। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের সবগুলো ম্যাচই শেখ কামাল স্টেডিয়ামে।
‘এ’ গ্রুপে রয়েছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও মালয়েশিয়া। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে হবে বাকি ম্যাচগুলো। শুধুমাত্র ৩ এপ্রিলের ফাইনাল ম্যাচটি হবে দিবা-রাত্রির।
বড় রান তাড়ায় দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন লাল দলের ওপেনার সাইফ হাসান ও আজমীর আহমেদ। ওপেনিং জুটি থেকে ১৪.৩ ওভারে আসে ৯৩ রান। সাইফ হাসান ৪৮ ও আজমীর ৩৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন। রান আউটের শিকার হন সাইফ। পরে মুমিনুল হক ৬৯ ও নাসির হোসেন ৬৩ রান করে যোগ করেন। জয়ের পথে থাকা লাল দলের হয়ে মোহাম্মদ মিঠুন ৪২ রানের ইনিংস খেললে সমীকরণ আরও সহজ হয়। নাজমুল হোসেন শান্ত ২৩ ও জাবেদ আহমেদ ৪ রানে অপরাজিত থেকে ৫ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন।
সবুজ দলের অধিনায়ক তানবীর হায়দার নেন তিন উইকেট। একটি উইকেট নিয়েছেন সালমান হোসেন।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে মেহেদি মারুফ, সাদমান ইসলাম ও জাকির হাসানের হাফ সেঞ্চুরিতে ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৯৪ রান তোলে সবুজ দল। মেহেদি মারুফ মাত্র ৭৬ বলে ১০টি চার ও তিন ছয়ে করেন ৯০ রান। বুধবার তৃতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে ১৩৭ রানের ইনিংস খেলা সাদমান করেন ৬৭ রান। আর জাকিরের ব্যাট থেকে আসে ৫৩।
আগের ম্যাচে ৩ উইকেট নেয়া আবু হায়দার রনি এদিনও নিয়েছেন ৩ উইকেট। সমান ৩টি উইকেট নিয়েছেন নাসুম আহমেদ। ইয়াসির আরাফাত মিশু ও শফিউল ইসলাম নেন একটি করে উইকেট।
ইমার্জিং কাপের প্রস্তুতি হিসেবে ফতুল্লায় দুটি ও কক্সবাজারে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেললো স্বাগতিকরা। এবার মূল আসরে চোখ থাকবে ক্রিকেটারদের। আট দেশের মূল আসর শুরু হবে ২৭ মার্চ। এশিয়ার অন্য সাতটি দেশ ২৬ মার্চ কক্সবাজার পৌঁছাবে। টুর্নামেন্টের প্রথম দিনেই চার ভেন্যুতে গড়াবে চারটি ম্যাচ। কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ হংকং। ২৮ মার্চ নেপাল ও ৩০ মার্চ পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে স্বাগতিকরা। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের সবগুলো ম্যাচই শেখ কামাল স্টেডিয়ামে।
‘এ’ গ্রুপে রয়েছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও মালয়েশিয়া। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে হবে বাকি ম্যাচগুলো। শুধুমাত্র ৩ এপ্রিলের ফাইনাল ম্যাচটি হবে দিবা-রাত্রির।

0 comments:
Post a Comment