১০০ তম টেষ্টে জয়ের পথেই হাটছে বাংলাদেশ !!

মেহেদী হাসান মিরাজ শুভাশিস রায়কে অনুযোগের সুরে বলতেই পারেন, কী দরকার ছিল গল টেস্টের প্রথম ইনিংসে উপুল থারাঙ্গাকে বোল্ড করার, আমি তো ছিলামই! পরের তিনটি ইনিংসেই যে শ্রীলঙ্কান ওপেনারকে ফিরিয়েছেন বাংলাদেশের ১৯ বছর বয়সী এ অফ স্পিনার।


গল টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে উজ্জ্বলই ছিলেন থারাঙ্গা। তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি। মিরাজকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন ১১৫ রান করা থারাঙ্গা। এই কলম্বো টেস্টে অবশ্য তাঁকে খুব একটা এগোতে দেননি মিরাজ, থারাঙ্গাকে স্লিপে সৌম্য সরকারের ক্যাচ বানিয়ে ফিরিয়েছেন ১১ রানেই। আর আজ দিনের দ্বিতীয় ওভারেই মিরাজের দুর্দান্ত বলটা বুঝতেই পারেননি থারাঙ্গা, ২৬ রানে বোল্ড! যে তিনবার তিনি মিরাজের শিকার, তার দুটিতেই বোল্ড।
টিভি ধারাভাষ্যকাররা বেশ মজা করেই বলছিলেন মিরাজের ‘বানি’ থারাঙ্গা। যে ব্যাটসম্যান বারবার একই বোলারের কাছে আউট হন, তিনি ওই বোলারের বানি। ক্রিকেটে ‘বানি’ ব্যাপারটি সবচেয়ে জনপ্রিয় করেছেন গ্লেন ম্যাকগ্রা। তাঁর বানি ছিলেন মাইক আথারটন। ১৭ টেস্টে ১৯ বার ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়েছিলেন ‘দ্য পিজন’।
কে জানে, থারাঙ্গাও মিরাজের বানি হতে চলেছেন কিনা!
অস্ট্রেলীয় কিংবদন্তি পেসারের আরেক নিয়মিত শিকার ছিলেন ব্রায়ান লারা। ২২ টেস্টে ১৪ বার ম্যাকগ্রার শিকার হয়েছে ক্যারিবীয় কিংবদন্তি।ওয়ানডেতে ওয়াকার ইউনিসের বানি ছিলেন সনাৎ জয়াসুরিয়া। ৪৫ ম্যাচে জয়াসুরিয়াকে ১৩ বার ফিরিয়েছিলেন ওয়াকার। আবার ওয়াকারের সতীর্থ সাঈদ আনোয়ার ১২ বার শিকার হয়েছেন চামিন্ডা ভাসের। শেন ওয়ার্নের প্রায় নিয়মিত শিকার ছিলেন ড্যারিল কালিনান। অস্ট্রেলীয় কিংবদন্তি লেগ স্পিনারের ঘূর্ণিতে ২২ ম্যাচে ৮ বার ফিরেছিলেন কালিনান।

Share on Google Plus

About Bangla Movie Desk

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment